*****নামাজ*****Namaz*****

****নামাজের পূর্বে ৭ টি ফরজ****

১। শরীর পাক করা।

২। কাপড় পাক করা।

৩। নামাজের জায়গা পাক করা।

৪। ছতর ঢাকা।

৫। কেবলা মুখী হওয়া।

৬। সময় হওয়া।

৭। নামাজের নিয়ত করা।


১। শরীর পাক করা: শরীর বড় ও ছোট দুই ধরনের নাপাকি থাকে। বড় নাপাকি থাকলে গোসল করতে হবে। ছোট নাপাকির জন্য শুধু অযু করলেই হবে।

নাপাকি:

নাপাকি দুই প্রকার। 

যথা: (ক) হুকমি ও 

        (খ) হাকীকী

(ক) হুকমি: হুকমি দুই প্রকার।

(অ) ছোট নাপাকি:  কেই প্রশব করল বা পায়খানা করল বা বায়ু বের হলো, ফলে লোকটি এখন নাপাক। শুধু অযু করলেই চলবে।

(আ) বড় নাপাকি: করো স্বপ্নদোষ হলো বা স্ত্রী সহবাস করল লোকটি এখন নাপাক। এখন গোসল বা ফরয গোসল করতে হবে।

(খ) হাকীকী:  হাকীকী দুই প্রকার।

যথা: (অ)তীব্র

        (আ) হালকা

গোসলের বিবরন:

পবিত্র পানি দ্বারা সমস্ত শরীর ধৌত করাকেই গোসল বলা হয়।

গোসল তিন প্রকার: 

১। ফরজ গোসল

২। সুন্নাত গোসল ও

৩। মুস্তাহাব গোসল

যে কারণে গোসল ফরজ হয়

* যৌন সম্ভোগ বা কামোদ্দীপনার সাথে বা হস্ত মৈথুন দ্বারা বীর্যপাত হলে।

* স্ত্রীলোকের গুপ্তাঙ্গের খতনার স্থান পর্যন্ত প্রবেশ করলে, বীর্যপাত হোক বা না হোক।

* দিবা নিশির যে কোন সময় ঘুমন্ত অবস্থায় বীর্যপাত হলে।

* মেয়েদের হায়েজ ও নিফাস বন্ধ হলে গোসল করা ফরজ।

                                 যে কারণে গোসল সুন্নত হয়

চারটি কারণে গোসল করা সুন্নত।

১। শুক্রবার দিন ছুবহে সাদেকের পরে জুমার নামাজের জন্য গোসল করা সুন্নত।

২। উভয় ঈদের নামাজের জন্য।

৩। হজ্জ শেষে আরাফার দিনে পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে যাওয়ার পর গোসল করা সুন্নত।

৪। গহজ্জের নিয়তে ইহরাম বাঁধার জন্য গোসল করা সুন্নত।

                                                         গোসলের ফরজ তিনটি

১। গড় গড়া সহ উত্তম রুপে কুলি করা। কিন্তু রোযা অবস্তায় নয়।

২। নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছান।

৩। সমস্ত শরীর ভালভাবে ধৌত করা।

                                         গোসলের সুন্নত ৬টি

১। গোসলের নিয়তে উভয় হাত কব্জি পর্যন্ত ধোয়া।

২। লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা।

৩। কাপড় বা শরীরের কোন জায়গায় নাজাসাত লেগে থাকলে গোসলের পূর্বে তা ধৌত করা।

৪। গোসলের পূর্বে ওজু করা।

৫। সমস্ত শরীর তিনবার ধৌত করা।

৬। গোসলখানায় যদি পানি বা কাদা জমে থাকে তবে অন্য স্থানে সরে ‍গিয়ে পা ধৌত করা।

                                              অজুর নিয়ত

উচ্চারন:   বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। নাওয়াইতুআন্ আতা ওয়াজ্জাআ লিরাফাইল হাদাছি, ওয়া ইস্তেবাহাতান লিস সালাতি, ওয়া তাক্বাররুবান ইলাল্লাহি তায়ালা।

অর্থ: আমি নাপাকী বিদূরীত করা ও নামাজ বৈধ হওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য লভের জন্য অজু করার নিয়ত করছি।


ফরজের বিবরণ

ফরজ দুই প্রকার। 

যথা: ১। ফরজে আইন ও

          ২। ফরজে কেফায়াহ্।

১। ফরজে আইন: যে কাজ প্রত্যেক বালেগ, বিবেকবান নর-নারীর উপর সমানভাবে ফরজ। যেমন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, রমযানে রোজা রাখা।

২। ফরজে কেফায়া: যে ফরজ কিছু লোক আদায় করলেই সকলের পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়। আর যদি একজনও আদায় না করে তাহলে সকলেই গুনাহগার হবে। যেমন, জানাযার নামাজ পড়া।

উল্লেখ্য, ফরজে কেফায়া পালন হওয়ার জন্য এমন সংখ্যক লোকের তা পালন করতে হবে যাদের মাধ্যমে কাজটি পুরাপুরি সম্পূর্ণ হয়।

**********************************************************************************

নামাজ পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় কতিপয় সূরা

*****সুরা নং- ০০১ : আল-ফাতিহা*****

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।

অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন।

অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : আররহমা-নির রাহি-ম।

অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ

উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন।

অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন

অনুবাদ : আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ

উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম

অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।

صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ

উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।

অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

********************************************************************************


*****সূরার নাম : আন - নাস*****
শ্রেণী : মাদানী সূরা (মদীনায় অবতীর্ণ)
অন্য নাম : মানুষ
নামের অর্থ : মানবজাতি
সূরার ক্রম : ১১৪
আয়াতের সংখ্যা : ৬
রুকুর সংখ্যা : ১

পারার ক্রম : ৩০ পারা
শব্দ : ২০
বর্ণ : ৮০


بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
কুল আউযু বিরাব্বিন নাস
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

مَلِكِ النَّاسِ
মালিকিন্ নাস
মানুষের অধিপতির ।

إِلَهِ النَّاسِ
ইলাহিন্ নাস
মানুষের মা’বুদের ।

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
মিন্ শররিল ওয়াস্ ওয়াসিল খান্নাস
তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
আল্লাযী ইউওযাসবিসু ফী ছুদুরিন্নাস
যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে ।

مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ
মিনা জিন্নাতি ওয়ান্নাস
জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে ।

*************************************************************************

*****সূরার নাম : ফালাক*****

শ্রেণী : মাদানী সূরা (মদীনায় অবতীর্ণ)
অন্য নাম : মানুষ
নামের অর্থ : নিশিভোর
সূরার ক্রম : ১১৩
আয়াতের সংখ্যা : ৫
রুকুর সংখ্যা : ১

পারার ক্রম : ৩০ পারা
শব্দ : ২৩
বর্ণ : ৭১


بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ أَعُوذُ بِرَ‌بِّ الْفَلَقِ
কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিল্ ফালাক্বি
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

مِن شَرِّ‌ مَا خَلَقَ
মিন্ শার রিমা-খলাক্ব
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

وَمِن شَرِّ‌ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
অমিন্ শাররি গ-সিক্বিন্ ইযা-অক্বাব্
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

وَمِن شَرِّ‌ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
অমিন্ শাররি ন্নাফ্ফা-ছা-তি ফিল্ ‘উক্বদ্
গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

وَمِن شَرِّ‌ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
অমিন্ শাররি হা-সিদিন্ ইযা-হাসাদ্
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে ।

**********************************************************************************

*****সূরার নাম : ইখলাস*****

শ্রেণী : মাক্কী সূরা (মক্কায় অবতীর্ণ)
অন্য নাম : আল-তাওহীদ
নামের অর্থ : একত্ব
সূরার ক্রম : ১১২
আয়াতের সংখ্যা : ৪
রুকুর সংখ্যা : ১
পারার ক্রম : ৩০ পারা
শব্দ : ১৫
বর্ণ : ৪৭


بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ هُوَ اللَّـهُ أَحَدٌ
কুল্ হুওয়াল্লা-হু আহাদ্
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক

اللَّـهُ الصَّمَدُ
আল্লা-হুচ্ছমাদ্
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ 
লাম্ ইয়ালিদ্ অলাম্ ইয়ূলাদ্
তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি

وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ ‌
অলাম্ ইয়া কুল্লাহূ কুফুওয়ান্ আহাদ্
এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

**********************************************************************************

*****সূরার নাম : লাহাব*****
শ্রেণী : মাক্কী সূরা (মক্কায় অবতীর্ণ)
অন্য নাম : 
 আল মাসাদ 
নামের অর্থ : অগ্নিশিখা, স্ফুলিঙ্গ
সূরার ক্রম : ১১১
আয়াতের সংখ্যা : ৫
রুকুর সংখ্যা : ১

পারার ক্রম : ৩০ পারা
শব্দ : ২৯
বর্ণ : ৮১

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ
তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাবিওঁ ওয়াতাব্বা
ধ্বংস হোক আবু লহবের উভয় হাত, আর সে-ও ধ্বংস হোক!

مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ
মা আগনা আনহু মালুহু ওয়ামা কাছাব
তার ধন-সম্পদ ও যা সে অর্জন করেছে তা তার কোনো কাজে আসবে না।

سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
সাইয়াছলা না রান যা তালাহাবিওঁ
তাকে অচিরেই ঠেলে দেওয়া হবে লেলিহান আগুনে

وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ ‌
ওয়ামরাআতুহু, হাম্মা লাতাল হাত্বোয়াব
এবং তার স্ত্রীকেও; যে ইন্ধন বহনকারিণী।

فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِنْ مَسَدٍ ‌
ফী-জী-দিহা হাবলুম মিম মাসাদ ।
তার গলায় থাকবে কড়াপাকের খেজুরের আঁশের রশি।

**********************************************************************************

*****সূরার নাম : নাছর*****

শ্রেণী : মাক্কী সূরা (মদীনায় অবতীর্ণ)
অন্য নাম : 
 তাওদী
নামের অর্থ : সাহায্য
সূরার ক্রম : ১১০
আয়াতের সংখ্যা : ৩
রুকুর সংখ্যা : ১

পারার ক্রম : ৩০ পারা
শব্দ : ১৯
বর্ণ : ৭৯

পূর্ববর্তী সূরা : কাফিরুন
পরবর্তী সূরা : লাহাব

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে (শুরু করছি)
إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ
ইযা জা - আনাসরুল্লাহি ওয়াল ফাতহু
যখন আল্লাহ্‌র সাহায্য ও (মক্কা) বিজয় আসছে
وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا
ওয়ারাআইতান্না সা ইয়াদ খুলুনা ফী-দীনিল্লাহি আফওয়াজা
এবং (হে নবী !) তুমি যদি দেখ যে লোকেরা দলে দলে আল্লাহর দ্বীন (ইসলাম ধর্ম) গ্রহণ করছে
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
ফাসাব্বিহ বিহামদি, রাব্বিকা ওয়াছ তাগফিরহু, ইন্নাহু কানা তাওয়্যাবা
তখন আপনি আপনার পালনকর্তার প্রশংসা সহ পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী (সর্বাধিক তওবা কবুলকারী) ।
**********************************************************************************
*****সুরায়ে কা’ফিরুন*****

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ
কু'ল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন ৷
বলুন, ‘হে কাফিররা!
لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
লাআ বুদু মা তা'আবুদুন ৷
আমি তার ‘ইবাদাত করি না যার ‘ইবাদাত তোমরা কর। 
وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ
অলা আনতুম আবিদুনা মা আ'বুদ ৷
এবং তোমরাও তাঁর ‘ইবাদাতকারী নও যাঁর ‘ইবাদাত আমি করি। 
وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
অলা আনা আবিদুম মা আবাত্তুম ৷
এবং আমি ‘ইবাদাতকারী নই তার যার ‘ইবাদাত তোমরা করে আসছ।
وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ
অলা আনতুম আবিদুনা মা আ'বুদ ৷
তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ
লাকুম দিনুকুম অলিয়া দিন ৷
তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।

**********************************************************************************

*****সূরায়ে কাওছার*****
إِنَّآ أَعْطَيْنَٰكَ ٱلْكَوْثَرَ
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنْحَرْ
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ ٱلْأَبْتَرُ
উচ্চারণঃ ইন্নাআ‘তাইনা-কাল কাওছার। ফাসালিল লিরাব্বিকা ওয়ানহার। ইন্না শা-নিআকা হুওয়াল আবতার।
অর্থঃ নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি। অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন। যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।

Comments

Popular posts from this blog

আপনি যদি প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আলেম কে ?

#নামাজে মন ফিরানো